আয়করের হার কমানোর দাবি ব্যবসায়ীদের

0
27

আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে করপোরেট আয়কর কমানোর দাবি করেছেন বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, করপোরেট কর অন্তত আড়াই শতাংশ কমানো হোক। এছাড়া অগ্রিম আয়কর কেটে রাখার ব্যবস্থা বন্ধ করা, রাজস্ব সংগ্রহ ব্যবস্থা সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা এবং সার্বিকভাবে সহজে ব্যবসা করা এবং ব্যবসার খরচ কমানোর পরিবেশ চেয়েছেন তারা। ব্যবসায়ীরা করহার কমিয়ে করের আওতা বাড়িয়ে এনবিআরের রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরামর্শ দেন।

বাজেট সামনে রেখে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং দৈনিক সমকাল ও চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের যৌথ আয়োজনে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এমন দাবি করেন তারা। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। সমকাল অনলাইনের ফেসবুক পেজ ও চ্যানেল টোয়েন্টি ফোর অনুষ্ঠানটি সরাসারি সম্প্রচার করে।

আলোচনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অ্যাপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এমপি এবং এফবিসিসিআইর বর্তমান সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান। সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর(ভ্যাট), আর্থিক খাত, শিল্প-বাণিজ্য এবং অবকাঠামো খাত-এই চার বিষয়ে আলাদা আলোচনা হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি খাতের সক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। সরকারের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নে বেসরকারি খাতের আরও বেশি ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। তিনি আলোচনায় উঠে আসা প্রস্তাব সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরবেন বলে আশ্বাস দেন।

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী তার বক্তব্যে সহজে ব্যবসা করার সুযোগ সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন। সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন করপোরেট কর হার কমানো, নীতির ধারবাহিকতা এবং নির্ধারিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ করেন।

এফবিসিআই সভাপতি বলেন, অগ্রিম আয়কর কেটে রাখার কারণে ব্যবসায়ীদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। যেহেতু এ কর শেষ পর্যন্ত সমন্বয় বা ফেরত দেওয়া হয় সেহেতু কেটে না রাখলে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন।

অন্য আলোচকরা করপোরেট ডিডিডেন্ট আয়ের ওপর কর কমানো, টার্নওভার করের উর্ধ্বসীমা ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করা, কর রিভান্ড সহজ করা, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানে নমনীয় ভ্যাট হার, বন্ড বাজার শক্তিশালী করা, এসএমই খাতের জন্য বিশেষ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন দাবি জানান।
ছবি ও সংবাদসূত্রঃ সমকাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here